স্টাফ রিপোর্টার, মনিরামপুর (যশোর)।।মনিরামপুরে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীর ধর্ষণের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। ধর্ষণে সহযোগিতায় দুই বন্ধু পালিয়েছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, গত শনিবার সকাল ৬টার দিকে মনিরামপুর আদর্শ সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী রাফিদ নামে আরেক সহপাঠির সাথে গণিত শিক্ষক আব্দুল কুদ্দুস আলীর বাড়িতে যাচ্ছিলো প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে। পথিমধ্যে জয়নগর জোড়া পুকুরের পাশে পৌছলে খর্দগাংড়া গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে আবু জাফর, জয়নগর গ্রামের নওশের আলীর ছেলে সমির হোসেন ও করিম হোসেন খোকনের ছেলে সেলিম হোসেন তাদের গতিরোধ করে।
এক পর্যায়ে রাফিদকে মারধর করে তাড়িয়ে দিয়ে তারা তিন বন্ধু ওই ছাত্রীকে জোড়া পুকুরের পাশে নিয়ে যায়। ওই ছাত্রী জানায়, সমির ও সেলিমের সহযোগিতায় আবু জাফর তাকে ধর্ষণ করে। এ সময় পার্শ্ববর্তী ক্ষেতে কাজ করার সময় কয়েকজন কৃষক বিষয়টি আঁচ করতে পেয়ে এগিয়ে আসলে ধর্ষণকারী ও তার দুই বন্ধু পালিয়ে যায়।
পরে বাড়িতে ফিরে ওই কিশোরী ছাত্রী তার মায়ের কাছে ঘটনা খুলে বলে। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর ভাই আবু জাফর, সমির হোসেন ও সেলিম হোসেনের নামে সন্ধ্যায় থানায় মামলা করেন। এদিন রাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে এর মধ্যে সমির হোসেনকে আটক করে। পরে অবশ্য পুলিশ ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্নের জন্য। মনিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু সাঈদ জানান, বাকি দুই আসামি আটকের জন্য এলাকায় পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে আজ মনিরামপুর আদর্শ সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী মিলে মানববন্ধন করেন। মানববন্ধনটি স্কুল থেকে শুরু করে মনিরামপুর পৌর শহর ঘুরে স্কুলেই শেষ হয়। এসময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেয় সহপাঠী ধর্ষণের ফাঁসি চাই।