কুকুরের কামড়ে অতিষ্ঠ মনিরামপুরবাসী, চড়া দামে কিনতে হচ্ছে জলাতঙ্কের টিকা

সমসাময়িক | প্রকাশিত: ৯ জানুয়ারী ২০২৬ ১৯:০০

সমসাময়িক
প্রকাশিত: ৯ জানুয়ারী ২০২৬ ১৯:০০

ছবি- সংগৃহীত

মোঃ শাহ্ জালাল।। যশোরের মনিরামপুরে এক দিনে কুকুরের কামড়ে প্রায় অর্ধশত ব্যক্তি আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২০ জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। সেখানে গিয়েও সংকটে পড়েন ভুক্তভোগীরা। দুই মাস ধরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জলাতঙ্কের টিকা না থাকায় তাদের বাইরে থেকে থেকে চড়া দামে কিনতে হয়েছে।

উপজেলার পাড়দিয়া গ্রামের ইজিবাইক চালক মাহাবুবুর রহমান বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে রাজগঞ্জ বাজারে রওনা হন। ডিসপেনসারি মোড়ে যাত্রী ওঠানোর সময় একটি পাগলা কুকুর আচমকা তাঁর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে ডান পায়ে কামড়িয়ে রক্তাক্ত করেছে। এ সময় যাত্রী হাসানকেও কামড়িয়ে রক্তাক্ত করে পালিয়ে যায় কুকুরটি।

একই দিন ঝাপা, মনোহরপুর, দুর্গাপুর, মশ্বিমনগর, গালদা, রাজগঞ্জ, কাশিপুর, ঘুঘুরাইলসহ বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ৫০ জনকে কামড়েছে কুকুর। তাদের মধ্যে ২০ জন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে যান। তাদের মধ্যে আছেন-জুড়ানপুর গ্রামের সিনিয়া আকতার, রিফাত হোসেন; গালদা গ্রামের হোসেন আলী, দুর্গাপুর গ্রামের ফরিদা বেগম, রাফি

হাসান ও ফারাবী হোসেন; মনোহরপুর গ্রামের খলিলুর রহমান, নাছিমা বেগম; গোপালপুর গ্রামের আবু বক্কর, কাশিপুর গ্রামের বিষ্ণু দাস, সুমাইয়া খাতুন; ঘুঘুরাইল গ্রামের আব্দুস সামাদ, ঝাপা গ্রামের রামপদ দাস, শেখপাড়া খানপুর গ্রামের আমিনুর রহমান, মোবারকপুর গ্রামের তামিম হাসান, গালদা গ্রামের হোসেন আলী এবং রোহিতা গ্রামের আশিকুর রহমান। আব্দুস সামাদ, আশিকুর রহমানসহ কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান, হাসপাতালে জলাতঙ্কের টিকা ছিল না। বাধ্য হয়ে তারা বাজারের ফার্মেসি থেকে কিনেছেন। এ জন্য এক হাজার ৩০০ থেকে এক হাজার ৬০০ টাকা পর্যন্ত গুনতে হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. অনুপ কুমার বসু বলেন, ২০ জনকে তারা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছেন। প্রায় দুই মাস ধরে তাদের কাছে জলাতঙ্কের টিকা সরবরাহ নেই।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফাইয়াজ আহমেদ ফয়সালের ভাষ্য, নতুন করে ভ্যাকসিন সরবরাহ করতে তারা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন। দ্রুত সময়ের মধ্যে সরবরাহ পাওয়া যাবে বলে তিনি আশাবাদী।




আপনার মূল্যবান মতামত দিন: