
এম এ আজাদ পটিয়াঃ- পটিয়া একজন কাছ থেকে জায়গা নিয়ে অন্যজনের জায়গা দখলের পায়তারা চালালে এতে উত্তেজনা সংঘর্ষের আশংকা দেখা দিয়েছে।সুএে জানাযায়, প্রবাসী মুছা গং পটিয়া পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ড বৈলতলী রোড় আলম শাহ সড়কে কথেক জায়গা ক্রয় করেন বাড়ি নির্মাণ করার জন্য। জায়গায় গুলো ক্রয় করেন হোসেন আহমদ গং এর কাছ থেকে। হোসেন আহমদ ও হাজী দুদু মিয়া তারা দুই ভাই। তাদের পৈতৃক সম্পত্তি আট আনা করে সমানভাবে ভাগ হয়ে যায় দুই পক্ষের ওয়ারিশ এর মধ্যে। প্রবাসী আবুল বশর তার পিতা হাজী আবদুস সাক্তার জামে মসজিদ নির্মাণ করেন। যাহা পটিয়ার মধ্যে একটি সুন্দর অত্যাধুনিক মসজিদ। এই মসজিদের পাশে হাজী দুদু মিয়া ওয়ারিশ মৌলনা মাহমুদুর রহমান কাজ থেকে কিছু জায়গা ক্রয় করেন এতিমখানা নির্মাণ করার জন্য। কিন্তু মুছা ও তার স্ত্রী মিলে হোসেন আহমদ এর প্রাপ্য অংশ দখল না করে এতিমখানা জায়গায় অর্থাৎ দুদু মিয়া ওয়ারিশ এর জায়গা দখলে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।এতে জায়গা দখলে নিতে মুছার স্ত্রী ফারজানা আকতার কিশোর গ্যাং, ভুমিদৃস্য, ভাড়াটিয়া সন্রাসী বাহিনী ব্যাবহার করছে। ফলে এলাকার লোকজন মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। শুধু তাই নয় উক্ত জায়গা নিয়ে একাধিক মামলা, থানায় অভিযোগ, আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এর পরেও এতিমখানার জায়গা বার বার আইন অমান্য করে দখলের পায়তারা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে হাজী আবদুস সাক্তার জামে মসজিদের মেসতাল্লী আবু ফরিদ। তিনি বলেন, আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল কিন্তু ফারজানা অপরাধী লোকজন নিয়ে এতিমখানার জায়গা দখলে নেওয়ার চেষ্টা হাজী আবদুস সাক্তার জামে মসজিদের মোসাল্লীদের ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। আবু ফরিদ বিষয়টি জাতীয় সংসদের হুইপ আলহাজ্ব শামসুল হক চৌধুরী এমপি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোতাহারুল ইসলাম চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, পটিয়া পৌরসভার মেয়র, কাউন্সিলর, পটিয়া থানার ওসি সুদৃষ্টি কামনা করেন।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: