মোঃ ওয়াজেদ আলী ,স্টাফ রিপোর্টার যশোর।।
যশোরের কুয়াদায় অাদ্বীনসহ বিভিন্ন এনজিওর বিরুদ্ধে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে গ্রাহকদের কাছ থেকে জোর পূর্বক কিস্তি অাদায় করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,যশোরের মনিরামপুর উপজেলার কুয়াদায় আদ্বীন,জাগরণী চক্র,আশা,গ্রামীণ ব্যাংক, সমাধান,ব্যুরো বাংলাদেশসহ বিভিন্ন এনজিওর কর্মিরা সরকারি নির্দেশ অমান্য করে গ্রাহকদের বাড়ি-বাড়ি গিয়ে জোর পূর্বক কিস্তি অাদায় করছে বলে বিস্তর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বর্তমান দেশে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়াই,পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার দেশে চলমান লকডাউন ঘোষণা করেছে। তাই দিনমুজুর অসহায় গরীব লোকজন কর্মহীন হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বিষয়টি বিবেচনা করে গত ২৪ জুন যশোরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সেলিম রেজা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে করোনাভাইরাস প্রার্দুভাবের কারণে এনজিওর ক্রেডিট প্রোগ্রাম স্থগিত রাখার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।
এ ঘটনায় যশোরে কিছু এনজিওকে জোর পূর্বক কিস্তি আদায় করার জন্য ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমান করেছে।
কিন্তু তার কোন প্রভাব পড়েনি মনিরামপুরের কুয়াদা বাজারে অবস্থিত বিভিন্ন এনজিও প্রতিষ্ঠানের উপর।
নামপ্রকাশ না করার শর্তে বুধবার কুয়াদা এলাকার একাধিক ব্যক্তি জানায়,করোনাভাইরাসের সময় চলমান লকডাউনে আমাদের কোন কাজ কর্ম নেই। কিন্তু এলাকার বিভিন্ন এনজিওর কর্মিরা কোন নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে বাড়ি-বাড়ি এসে আমাদের কাছ থেকে জোর পূর্বক কিস্তি আদায় করছে।
তারা আরো ও জানায়,এমন পরিস্থিতিতে আমরা কি খাবো, কাছে টাকা পয়সা নেই,তার পরও এনজিও কর্মিরা যদি আমাদের উপর এমন চাপ প্রয়োগ করে তাহলে আমরা যাবো কোথায়? এ বিষয়ে ভুক্তোভোগীসহ এলাকার সচেতনমহল দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন