
রাশেদ রেজা,মাগুরা প্রতিনিধিঃ গতরাত আনুমানিক ২টার পরে সিমাখালী বাজারে আজিজুলের মিষ্টির দোকানে আগুন লেগে যাই, পরে আগুন মুহুর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে পাশের বিখ্যাত মুসলিম সুইটস্ এন্ড রেস্টুরেন্ট হাউজে এর পর মিঠাই বাড়ি মিষ্টির দোকানে তারপরে আগুন লিটন ইলেকট্রনিক্সে লেগে সবকিছু পুড়ে শেষ করে ফেলে।
জেলা শহর থেকে সিমাখালী বাজারের অবস্থান দূরে থাকায় আজ ফায়ায় সার্ভিসের চৌকস দল আগুন নিভাতে পারলেও ইতিপূরে সবকিছুই শেষ করে দেয় সর্বনাশা আগুন।
রাতে ফায়ার সার্ভিসের দলটি এসে আগুন ক্ষণিকের মধ্যে নিয়ন্ত্রনে এনে রক্ষা করে বাজারের আশপাশে থাকা অন্য সকল দোকান, তবে অল্পের জন্যে পাশে (বিশ্বাস স্টোর) গ্যাস ও তেলের দোকানে আগুন ছড়িয়ে পড়লে নিয়ন্ত্রনে আনা কঠিন হত বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের দলটি।
আগুনে পুড়ে যাওয়া দোকান মালিক আজিজুল ইসলাম সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, দোকানের মধ্যে থাকা সকল আসবাবপত্র, ফ্রিজসহ যা মিষ্টান্ন ছিলো তা পুড়ে শেষ হয়ে গেছে, পাশের দোকান মুসলিম সুইটস ও মিঠাই বাড়ির অবস্থাও একই, লিটন ম্যাকারের দোকানে আগের পন্য সহ গতকালের লক্ষ্যার্ধিক টাকার আনা ইলেকট্রনিক্স পন্য পুড়ে শেষ। আমরা উভয় বিশাল ক্ষতির মুখে পড়ে গেলেম।
বাজার কমিটির সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ দোকানিদের পাশে থেকে সহযোগিতা করছেন বলে জানা যাই। এদিকে বাজারে সজীব এন্টার প্রাইজ এর ব্যবসায়ী ইসরাত আহম্মেদ সজীব সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, বাজারের এই ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে আমরা মর্মাহত এবং দোকানি ভাইদের পাশে থাকবো ইনশাল্লাহ। তিনি আরো বলেন, আজ যদি আড়পাড়া ফায়ার সার্ভিস অফিসটি থাকতো তাহলে আরো দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে ক্ষতি পরিমানটি কমানো যেতো, তাই অতি দ্রুত মাননীয় এমপি বীরেন শিকদার সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে দ্রুত ব্যাবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে ভবিষ্যতে এমন কর্মকাণ্ড থেকে ব্যবসায়ী ও দূর্ঘটনা কবলিত মানুষের পাশে থাকার আহবান করেণ।
এদিকে শালিখা উপজেলা পুলিশ প্রশাসন আগ্নিকান্ডের সঠিক কারণ জানতে তদন্ত করেছেন বলে দোকানিরা জানান।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: