ভাইস চেয়ারম্যান উত্তম চক্রবর্তী বাচ্চুর মিথ্যা ভিত্তিহীন বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন- এস এম ইয়াকুব আলী

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ২ মার্চ ২০২২ ১৭:৫১

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২ মার্চ ২০২২ ১৭:৫১

ছবি সমসাময়িক
নিউজ ডেস্ক।। ২ মার্চ বুধবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার সময় মণিরামপুর উপজেলার শ্যামকুড় ইউনিয়নের সুন্দলপুর বাজারে আওয়ামী লীগের এক পথসভায় মণিরামপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান উত্তম চক্রবর্তী বাচ্চু বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ধর্ম বিষয়ক উপ-কমিটির নির্বাহী সদস্য, বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও যশোরের সিটি প্লাজার চেয়ারম্যান এস এম ইয়াকুব আলী ও তার ছোট ভাই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক ডা. মেহেদী হাসানকে নিয়ে যে বানোয়াট মিথ্যা ভিত্তিহীন মিথ্যা বাজে মন্তব্য করেছেন তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এস এম ইয়াকুব আলী আজ প্রদত্ত এক বিবৃতিতে বলেন- ২০০৯ সালে উল্লেখযোগ্যহারে দেশে রেমিটেন্স পাঠানোর কারণে বাংলাদেশ সরকারের প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক সিআইপি (এনআরবি) কার্ড প্রদান করা হয় আমাকে। সম্প্রতি আমার ছোট ভাই ডা. মেহেদী হাসান শেখ হাসিনা ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২০ প্রাপ্ত একজন ডাক্তার। করোনা কালে যার ফ্রী চিকিৎসা সেবা বাংলাদেশের শহর থেকে গ্রাম, প্রশাসন থেকে সাধারণ গরীব অসহায় মানুষ সবাই পেয়েছেন। আজ যে ইউনিয়নে দাঁড়ায়ে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান বাচ্চু ভিত্তিহীন মিথ্যা মন্তব্য করে বক্তব্য দিয়েছেন সেই ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা আমার দাদা মোহাম্মাদ আলী সরদার। এবং আমার চাচা হাতেম আলী ছিলেন বঙ্গবন্ধুর সময়ের রিলিফ কমিটির চেয়ারম্যান। আমার জানার খুব ইচ্ছা এই উত্তম চক্রবর্তী বাচ্চুরা তখন কোথাই ছিলেন? আমরা যদি আওয়ামী লীগ পরিবার না হই, তাহলে শ্যামকুড় ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ তৈরী করলো কে? গত দু’দিন আগের সুন্দলপুর বাজারে ঘটনা বর্ণণা করতে যেয়ে তিনি আরো বলেন আমাদের আগরহাটি গ্রামের বিশ্বাস পাড়ায় মাস্টার হাতেম আলী ও তার পরিবার সবাই আওয়ামী লীগ পরিবারে সাথে জড়িত। তারা শুধু না পুরো বিশ্বাস পাড়া আওয়ামীলীগ করে এটা বঙ্গবন্ধুর আমল থেকে যেটা সকলের জানা। হাতেম আলী তিনদিনের তাবলীগ শেষে ২৭ ফেব্রুয়ারী সকালে যখন সুন্দলপুর বাজারে আসে তখন সে একা না তাবলীগের আরো ৮ জন সফরসঙ্গী ছিলেন তার সাথে। জামাত-শিবিরের মিছিলের কারণে তাদের ইজিবাইক বাধাগ্রস্থ হয়। ১০ দিনপর তার মেয়ের বিবাহ হবে। এতকিছু জানার পর আওয়ামী লীগের একজন কর্মীকে যে তাবলীগ থেকে সবে মাত্র আসলো তাকে যেন অহেুতুক হয়রানী না করা হয়। শুধুমাত্র এই হাতেম আলীর জন্য বিভিন্ন মহলে আমি কথা বলেছি, তাও প্রশাসনের তদন্ত সাপেক্ষ। অথচ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান বাচ্চু তার বক্তব্যে আমাদেরকে ও আমার পরিবারকে ছোট করার জন্য বিরোধীদল বানিয়ে বক্তব্য দিয়েছে। এটা পূর্ব কোন শত্রুতার জের হতে পারে। এ ধরনের বক্তব্য ভবিষ্যতে দিবেন না এমনটাই আশা করি, সমাজের মানুষ সবাই সবাইকে ভালো করে চেনে, সমাজে এবং রাজনীতিতে কার কোন অবস্থান। কাজেই যার যার অবস্থান, সম্মান বজায় রেখে কথা বলা উচিৎ।


আপনার মূল্যবান মতামত দিন: