
নিউজ ডেক্সঃ সোশ্যাল মিডিয়া/সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অসহিষ্ণু আচরণ রোধে আমাদের করণীয় শীর্ষক এক মতবিনিময় সভা গত রবিবার(২০ ফেবব্রুয়ারি) সকাল ১০ ঘটিকায় মণিরামপুর আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র(আরটিসি) অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় PAVE (Peoples Violence in Everywhere) কর্মসূচির পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ (পিএফজি) মণিরামপুর উপজেলা কমিটির আয়োজনে এ মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন সুজন_সুশাসনের জন্য নাগরিক মণিরামপুর উপজেলা কমিটির সভাপতি ও পিএফজি’র সমন্বয়কারী অধ্যাপক মোঃ আব্বাস উদ্দীন। পিএফজি’র পিস এ্যাম্বাসেডর প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নানের উপস্থাপনায় ও দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-বাংলাদেশ এর আঞ্চলিক সমন্বয়কারী খোরশেদ আলমের সঞ্চালনায় এ সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন পিএফজি’র পিস এ্যাম্বাসেডর ও জাসাস নেতা আসাদুজ্জামান রয়েল। আমন্ত্রিত অতিথি ও অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ তন্ময় বিশ্বাস,নেহালপুর স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ চঞ্চল ভট্টাচার্য্য, গোপালপুর স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ রেজাউল করিম, মণিরামপুর প্রেসক্লাবের সহসভাপতি প্রভাষক নুরুল হক, মণিরামপুর পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও পিএফজি’র পিস এ্যাম্বাসেডর গীতা রানী কুন্ডু,মণিরামপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যাপক এম. আলাউদ্দীন, অধ্যাপক বাবুল আকতার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রধান শিক্ষক প্রভাষ চন্দ্র দাস, সাধারন সম্পাদক মোঃ মুজিবর রহমান, সুজনের উপজেলা কমিটির সহসভাপতি প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল লতিফ, প্রধান শিক্ষক নিহার রঞ্জন রায়, উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা ও হিন্দু-বৌদ্ধ-খৃস্টান ঐক্য পরিষদের আহবায়ক তপন বিশ্বাস পবন, খানপুর ইউপি সদস্য ও উপজেলা বিএনপি’র নেত্রী নুরুন্নাহার, মণিরামপুর সরকারি পাইলট হাইস্কুলের শিক্ষক সাঈদ শাহরিয়ার, সাংবাদিক অশোক কুমার বিশ্বাস,সাবেক পৌর কাউন্সিলর পারভীনা আকতার, আশ্রয়ন সেবা সংস্থার পরিচালক সুরাইয়া নার্গিস, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ এর প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর গিয়াস উদ্দীন, পিএফজি’র সদস্য শফি সম্রাট, সফিকুজ্জামান, লাভলী খাতুন, ইয়ুথ এ্যাম্বাসেডর জাকারিয়া প্রমুখ। এ মতবিনিময় সভার বক্তাগন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অসহিষ্ণু আচরণ রোধে সচেতনতা বৃদ্ধির উপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে বলেন, সচেতনতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অভিভাবক,শিক্ষকদের বড় ধরনের ভূমিকা রয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি পরিবার,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ইউনিয়ন পরিষদ তথা প্রতিটি রাজনৈতিক দল ও সংগঠনকে সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমের ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিক নিয়ে ব্যাপক গণসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমের নেতিবাচক দিক বিশেষ করে মোবাইল আসক্তির কারণে স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা একদিকে যেমন শিক্ষা বিমুখ হয়ে যাচ্ছে,পক্ষান্তরে তারা নানা অনৈতিক কাজের সাথে জড়িয়ে সামাজিক অবক্ষয়ের মধ্যে যেমন নিপতিত হচ্ছে, তেমনিভাবে অনেকেই পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ছে ও আত্নহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা ধরনের বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর মনগড়া তথ্য সরবরাহ ও গুজব রটিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, রাজনৈত্রিক সংঘাত সৃষ্টি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মানহানি ও সামাজিক মর্যদা বিনষ্ট করছে। তাই সোশ্যাল মিডিয়া/সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বিশেষ করে ফেসবুক, টুইটার, ইমো ও ইউটিউবসহ বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে এবং নানা ধরনের এ্যাপস এবং ডিভাইস ব্যবহারের বিষয়ে সকলকে ব্যাপক সচেতন হওয়া প্রয়োজন বলে অধিকাংশ বক্তা তাদের বক্তব্যে তুলে ধরেন।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: