
মোঃ ওয়াজেদ আলী।। যশোরের মনিরামপুর জালঝাড়া মৌজায় জমি মামলার দখলী পরওয়ানা জারী নিশানদার নিযুক্ত হলেও বাদী ডিক্রীদার চরম বিপাকেপড়েছ যার দেখার কেউ নেই। জানাযায়, গত ১৪/১০/২০১৯ ইং তারিখে আদেশ নামা মোকাাম মনিরামপুর সহকারী জজ আদালত যশোর এর উপস্থিতিতে দেং জারী ০১/২০১৮ নং মামলা বাদী/ ডিক্রীদার মেছাঃ নুরুন্নাহার বেগম পিং শরীতুল্লাহ সাং সিরাজসিঙ্গা পোঃ কুয়াদা বাজার থানা কোতোয়ালী, যশোর। বিবাদী/ দাইক মোঃ ইছাক আলী পিং দীন মোহাম্মদ গোলদার সাংজালঝাড়া পোঃ চালকি ডাংগা থানা মনিরামপুর যশোর। দেং জারী - ১/১৮ নং মামলার দখলী পরওয়ানা জারী কার্যকর। গত ইংরেজি ১৪/১০/১৮ তারিখে মনিরামপুর থানাধীন ৯০ নং জালঝাড়া মৌজায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে ডিক্রীদারের ডিক্রীপ্রাপ্ত পরওয়ানার তপশীল লিখিত জরিপ খতয়ান ৫৩২ সি, এস খতিয়ান ৩৩৩, ৩৬৬,৫২৭ সি এস দাগ ৯৫০, ৯৩৮, ৮৭১, ৮৭২ হাল দাগ ১১৯ নং এর ৮৪ শতকের মধ্যে দক্ষিণ পাশ হইতে ২১ শতক ও ১১৫৮ নং দাগের ৮২ শতকের মধ্যে হইতে দক্ষিণ পাশের ২১ শতক মোট ৪২ শতক সম্পত্তির মাননীয় আদালতে নির্দেশে উক্ত সম্পত্তির উপর কাড়াদারের কাড়া দায়িত্বে ঢোল বাদ্য সহরত পূর্বক তাহার উপস্থিতিতে সর্বসাধারণকে দখলী পরওশানা মর্মে উচ্চ স্বরে পাঠ পূর্বক তাহাদেরকে অবগত করাইয়া উক্ত দুই অংশের সম্পত্তির এক কোনের স্থানে বাঁশ গাড়িয়া বাঁশ নছকের দ্বারা ডিক্রীদার / নিশানদার মোছাঃ নুরুন্নাহারকে ১১১৯ দাগের ২১ শতক ও ১১৫৮ নং দাগের ২১ শতকের মোট ৪২ শতক সম্পত্তি রীতিমত দখল বুঝাইয়া দেন। জেলা জজ আদালত যশোর। কিন্তু আদালত বাদীকে সম্পত্তি দেওয়ার কিছু যাওয়ায় পর বাদী তার সম্পত্তির উপর গেলে তাকে বিভিন্ন রকমের হুমকি, নামপতন জালিশাত করে আদালতে মিথ্যা মামলা করে বাদীকে হয়রানির করার আদালতে মামলা করেন বিবাদী ইছাক। প্রশ্ন উঠেছে এই বিবাদী মামলাবাজ ইছাকের খুঁটির জোর কোথায়? উক্ত সম্পত্তির মালিক নুরুন্নাহার বেগম তার সম্পত্তির ফিরে পাওয়ার লক্ষে বাদী আদালতে মামলা করেন। বাদী নুরুন্নাহার বেগম বলেন উক্ত সম্পত্তির ফিরে পাওয়ার লক্ষে তদন্ত পূর্বক প্রশাসনের আশু কামনা করেন। কিন্তু এর শেষ কোথায়?

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: